খরগোশ ও কচ্ছপ আদা জল খেয়ে প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ল। খরগোশ কচ্ছপের আঁতে ঘা দিল এই বলে, “তোমার তো আঠারো মাসে বছর!” কিন্তু কিছুক্ষণ দৌড়ানোর পর খরগোশ আপন পায়ে কুড়াল মেরে বসল। সে আখের বুঝে চলতে পারল না। সে ভাবল যে, তার ও কচ্ছপের মধ্যে আসমান জমিন ফারাক। একথা ভেবে আটকপালে ঘুমিয়ে পড়ল। অপরদিকে কচ্ছপ আজোড় জোড়নের জন্য উঠেপড়ে লেগে গেল। সে তার চিন্তা দ্বারাই আখের গুছিয়ে ফেলল। আগল ভেঙে এগিয়ে চলল। আচার বিচারে সে কোন ত্রুটি করল না। কাক দৌড় প্রতিযোগিতার আগাপাছতলা আগলে সামলে রাখছিল, খরগোশকে ঘুমাতে দেখে সে আওয়াজ দিল। আকার ইঙ্গিতে সব বোঝাতে চাইল। কিন্তু খরগোশ ভাবল যে কাক আদিখ্যেতা দেখাচ্ছে। তাই সে কাকের কথায় আমলই দিল না। অবশেষে আটপ্রহর পার হয়ে গেল। কচ্ছপ গন্তব্যে পৌছে আসর গরম করে দিল। এদিকে কচ্ছপ যখন আসর মাত করছে তখন খরগোশের ঘুম ভাঙল। মনে পড়ে গেল প্রতিযোগিতার কথা। আর অমনি আনাড়ির মতো ছুটতে শুরু করল। পথেই যখন কাকের মুখে শুনল কচ্ছপ গন্তব্যে পৌছে গেছে তখন সে আঁতকে উঠল। যেন সে আকাশ থেকে পড়ল। তারপর অবশেষে যখন সে গন্তব্যে পৌছল তখন বুঝল যে, সে এতক্ষণ আলেয়ার পিছে ছুটছিল। আঙুল কামড়ানো ছাড়া তার আর কিছুই করার ছিলনা।
Comments
Post a Comment